বৃহস্পতিবার , ৪ জুন ২০২৬ | ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. চাকরির খবর
  7. জাতীয়
  8. জীবনযাপন
  9. তথ্য ও প্রযুক্তি
  10. দুর্ঘটনা
  11. ধর্ম
  12. বিনোদন
  13. রাজনীতি
  14. শিক্ষা ও ক্যাম্পাস
  15. সম্পাদকীয়

বিএনপি উদার গণতান্ত্রিক দল, আমরা কোনো বিভাজন চাই না : মির্জা ফখরুল

প্রতিবেদক
admin
জুন ৪, ২০২৬ ৪:০৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদিকঃ  বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বিএনপি একটি উদার গণতান্ত্রিক দল। বিএনপি ইজ এ পার্টি অব লিবারেল ডেমোক্রেসি।আমরা উদার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি এবং সেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই। কোনো বিভাজন সৃষ্টি করতে চাই না। বরং যে আদর্শে বাংলাদেশ সৃষ্টি হয়েছে, সেই আদর্শকে আরো শক্তিশালী করতে চাই।’ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাজধানীর সার্কিট হাউজ রোডের পিআইবি অডিটোরিয়ামে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনে দেশের মানুষ ভুল করেনি। নির্বাচনের আগে বুদ্ধিজীবী ও পত্রিকাগুলোর একটি অংশ এমন একটি হাইপ তৈরি করেছিল যে জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় চলে যাচ্ছে এবং তারাই সবচেয়ে বেশি ভোট পাবে। এমনকি তাকেও পরাজিত হিসেবে দেখানো হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মানুষ তাদের বাদ দিয়ে বিএনপিকে বেছে নিয়েছে।তিনি বলেন, ‘যাকে কেউ চিনত না, যাকে অখ্যাত মেজর বলে আওয়ামী লীগের লোকজন বিদ্রুপ করত, সেই মেজর জিয়াউর রহমানই দেশের প্রয়োজনে এমন এক সময়ে চট্টগ্রাম থেকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন, যখন গোটা দেশের মানুষ যুদ্ধ ঘোষণার অপেক্ষায় ছিল।’ বিএনপি এ নেতা বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ তখন একমত হয়ে গিয়েছিল যে পাকিস্তানের সঙ্গে আর থাকা যাবে না এবং যুদ্ধ করতে হবে। সেই যুদ্ধ শুরু করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে মানুষ যে ভোট দিয়েছিল সেটি কেবল একটি দলের জন্য নয়, বরং পাকিস্তান থেকে বেরিয়ে আসার আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ছিল।’ মির্জা ফখরুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানের মধ্যেই সেই দর্শন নিহিত রয়েছে।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এমন এক সময়ে রাজনীতির নেতৃত্বে এসেছিলেন, যখন দেশ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত ছিল। সে সময় বিভাজনের রাজনীতি না করে তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও মতকে একত্রিত করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। প্রথমে ফ্রন্ট, পরে জাগদল এবং পরবর্তীতে বিএনপি গঠনের মাধ্যমে জাতীয় পুনর্মিলনের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছিলেন। জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে কারো শত্রু বানাতে চাননি, বরং সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে সফলও হয়েছিলেন। জিয়াউর রহমানের জনপ্রিয়তার মূল কারণ ছিল বাংলাদেশের মানুষকে নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখানো। মানুষ কোনো আধিপত্যের অধীনে নয়, বরং স্বাধীন ও আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশ দেখতে চেয়েছিলেন।

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত

আমদানি বাণিজ্যে শীর্ষ পাঁচে ব্র্যাক, এইচএসবিসি, সিটি, পূবালী ও এসসিবি

জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় সরকার : তিতুমীর

This is a Test Post

ঈদুল আযহা উপলক্ষে নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে সরকারের ব্যাপক প্রস্তুতি

ডিএমপি কমিশনার হলেন মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ

সড়ক, সেতু ও রেল মন্ত্রীর সাথে জাইকা প্রতিনিধিদলের বৈঠক, অবকাঠামো সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব আরোপ

জুলাই গ্রাফিতি অপসারণের নির্দেশ সিটি করপোরেশন দেয়নি: চসিক মেয়র

ন্যায়বিচার নিশ্চিত করুন, সরকার আপনাদের পাশে আছে: আইনমন্ত্রী

মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি, নেতৃত্বে আসলেন শাহরিয়ার

সততা, দায়িত্ববোধ ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী