Tuesday , 15 September 2026 |
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. চাকরির খবর
  7. জাতীয়
  8. জীবনযাপন
  9. তথ্য ও প্রযুক্তি
  10. দুর্ঘটনা
  11. ধর্ম
  12. বিনোদন
  13. রাজনীতি
  14. শিক্ষা ও ক্যাম্পাস
  15. সম্পাদকীয়

ডিজিএফআই’র সাবেক মহাপরিচালক মামুন খালেদসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

প্রতিবেদক
admin
September 15, 2026 6:03 pm
Link Copied!

ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ডিজিএফআই’র সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল শেখ মামুন খালেদ (অব.) ও তার পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলার অপর দুই আসামি হলেন- শেখ মামুন খালেদের স্ত্রী নিগার সুলতানা ও তার শ্যালক শেখ আমিনুর রহমান। আজ দুদক প্রধান কার্যালয়ে জনসংযোগ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বাসসকে এ তথ্য জানিয়েছেন। দুদক জানায়, অনুসন্ধানে শেখ মামুন খালেদের নামে ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৮৬ হাজার ৮৩৭ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ পাওয়া যায়। পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয়সহ তার মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫ কোটি ৩০ লাখ ৮০ হাজার ৬৫৮ টাকা। এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৮৩ হাজার ৫৬৩ টাকা। ফলে তার নামে ১ কোটি ৯৫ লাখ ৯৭ হাজার ৯৫ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ পাওয়া যায়। নিগার সুলতানার নামে ১ কোটি ৮ লাখ ৪৭ হাজার ৭৫১ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ পাওয়া যায়। তার গ্রহণযোগ্য আয় ১ কোটি ২৩ লাখ ৮৬ হাজার ৯১১ টাকা এবং পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় ৭৪ লাখ ১৩ হাজার ৯৬৯ টাকা। ব্যয় বাদে সম্পদ অর্জনের জন্য তার সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪৯ লাখ ৭২ হাজার ৯৪২ টাকা। এ হিসাবে তার নামে ৫৮ লাখ ৭৪ হাজার ৮০৯ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ পাওয়া যায়। অপরদিকে, শেখ আমিনুর রহমানের নামে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ পাওয়া যায় ১০ কোটি ৪২ লাখ ৯ হাজার ১২৩ টাকা। তার গ্রহণযোগ্য আয় ৫ কোটি ৭৭ লাখ ৩৭ হাজার ৪৭৮ টাকা এবং পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় ২ কোটি ৪২ লাখ ৪ হাজার ৬১৬ টাকা। ব্যয়সহ তার মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১১ কোটি ২৭ লাখ ২৫ হাজার ৩৩৩ টাকা। ফলে তার নামে ৫ কোটি ৪৯ লাখ ৮৭ হাজার ৮৫৫ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ পাওয়া যায়। দুদকের অনুসন্ধানে নিগার সুলতানা ও শেখ আমিনুর রহমানের আয়কর নথিতে মৎস্য চাষ থেকে প্রদর্শিত যথাক্রমে ৪০ লাখ ৫৯ হাজার ৯৩০ টাকা ও ৬ কোটি ৮ লাখ ১৪ হাজার ৮৮৪ টাকার আয় গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়নি। রেকর্ডপত্র যাচাই ও পরিদর্শনে এসব আয়ের ভিত্তি পাওয়া যায়নি। এছাড়া শেখ আমিনুর রহমানের পূর্ববর্তী সঞ্চয় হিসেবে প্রদর্শিত ১ কোটি ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৩৯০ টাকারও কোনো রেকর্ডপত্র পাওয়া যায়নি। দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুদকের সহকারী পরিচালক পিয়াস পাল বাদি হিসেবে তিনটি মামলা দায়ের করেন।

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত

মেধাবী প্রকৌশলীদের বিদেশমুখী প্রবণতা কমাতে অনুকূল কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে: আইনমন্ত্রী

সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামান

দীর্ঘ প্রচেষ্টায় উদ্ধার কর্ণফুলী কমিউটার; চলছে রেললাইন সংস্কার

উত্তর কোরিয়ার সম্পূর্ণ পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের অঙ্গীকার যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের

শুধু ধর্মীয় নয়, রোজা রাখার বৈজ্ঞানিক উপকারিতাও অপরিসীম

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা অনুষ্ঠিত

ব্রাজিলকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ে

মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য : রাষ্ট্রপতি

সালমান শাহ হত্যা: ডনকে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন, শুনানি বৃহস্পতিবার

যে কারণে ‘ট্রাইব্যুনাল’ থেকে সরে দাঁড়ালেন নুসরাত