Sunday , 6 September 2026 |
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. চাকরির খবর
  7. জাতীয়
  8. জীবনযাপন
  9. তথ্য ও প্রযুক্তি
  10. দুর্ঘটনা
  11. ধর্ম
  12. বিনোদন
  13. রাজনীতি
  14. শিক্ষা ও ক্যাম্পাস
  15. সম্পাদকীয়

দূষণে অস্তিত্ব সংকটে দেশের নদীগুলো

প্রতিবেদক
admin
September 6, 2026 2:04 pm
Link Copied!

বাংলাদেশের নদ-নদী দীর্ঘদিন ধরেই শিকার দখল ও দূষণের। তবে সাম্প্রতিক বিভিন্ন তথ্য ও প্রতিবেদনে নদীদূষণের যে চিত্র উঠে এসেছে, তা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে। শিল্পবর্জ্য, পয়োবর্জ্য, প্লাস্টিক ও কঠিন বর্জ্য, নৌযানের তেলসহ নানা ধরনের দূষিত পদার্থ নিয়মিত নদীতে পড়ছে। রাজধানীর চারপাশের নদীগুলোর ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। সাম্প্রতিক এক জরিপে ঢাকার চারপাশের নদীগুলোতে ৪২৪টি সরাসরি বর্জ্য নিঃসরণের উৎস শনাক্ত হয়েছে। যা দেশের নদীগুলোর ভবিষ্যতের জন্য হুমকি স্বরূপ। রাজধানীর বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও ধলেশ্বরীর অবস্থাও ক্রমেই সংকটাপন্ন হয়ে উঠছে। সাম্প্রতিক গবেষণায় বুড়িগঙ্গাকে অত্যন্ত সংকটাপন্ন, তুরাগকে সংকটাপন্ন এবং ধলেশ্বরীকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ওই গবেষণায় দেখা গেছে, এসব নদীতে শিল্পবর্জ্য, অপরিশোধিত পয়োবর্জ্য, প্লাস্টিক, বাজারের আবর্জনা ও নৌযানের জ্বালানি তেলসহ বিভিন্ন দূষিত পদার্থ নদীর পানিতে মিশছে নিয়মিতই। নদীদূষণের এ চিত্র যে শুধু রাজধানীতেই সীমাবদ্ধ তা নয়। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নদ-নদীও দখল, বর্জ্য ও শিল্পদূষণের কারণে অস্তিত্বসংকটে পড়ছে। কুষ্টিয়ার আটটি নদ-নদী দখল ও দূষণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বাগেরহাটের ২৬টি নদী দখল, দূষণ ও অপরিকল্পিত বাঁধের কারণে সরু খালে পরিণত হয়েছে। কিশোরগঞ্জের নরসুন্দা নদীও ময়লা-আবর্জনায় প্রায় পানি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। নদীদূষণের প্রভাব যে শুধু পানির গুণগত মান নষ্ট হওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ তা নয়। নদীর পানি দূষিত হলে মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণীর অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ে, ক্ষতিগ্রস্ত হয় জীববৈচিত্র্য। দীর্ঘদিন ধরে দূষিত পানি ও বর্জ্য নদীতে জমতে থাকলে নাব্যতা কমে যায়, স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয় এবং নদীর পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হয়। নদীদূষণ বন্ধে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো দূষণের উৎস নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা না থাকা। নদীতে বর্জ্য ফেললে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করা হলে সাময়িকভাবে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আসতে পারে, কিন্তু উৎস বন্ধ না হলে নদী দূষণ কখনই সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা সম্ভব নয়। তাই শিল্পকারখানায় বর্জ্য পরিশোধনাগার কার্যকর রাখা, অপরিশোধিত পয়োবর্জ্য সরাসরি নদীতে ফেলা বন্ধ করার উপর গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে নদীর তীরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং দখলদারদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। নদীদূষণ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত পানি পরীক্ষা ও দূষণের মাত্রা প্রকাশের ব্যবস্থাও জোরদার করতে হবে। যেসব শিল্পকারখানা বারবার দূষণ ঘটাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে শুধু অর্থদণ্ড নয়, প্রয়োজনে উৎপাদন বন্ধসহ কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। নদী বাংলাদেশের অর্থনীতি, পরিবেশ ও মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। তাই দূষণের উৎস চিহ্নিত করে তা বন্ধ করা, নিয়মিত নজরদারি এবং আইন প্রয়োগের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা গেলে নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত

বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর

মাঝ আকাশে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের দরজা খুলে যাওয়ায় জরুরি অবতরণ ঢাকায়, প্রাণগেল রোগীর

অপ্রয়োজনীয় খরচ কমাবে সরকার, প্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় চলবে: প্রধানমন্ত্রী

মুগদা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১০

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫০৬, মামলা ৫৫

জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান

শীর্ষস্থান ধরে রাখলেন শাহরুখ খান

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ছাড়পত্র পেল যশের ‘টক্সিক’

ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ: পানি ও স্যানিটেশন খাতে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান

বন্ধ ও অলাভজনক কারখানায় বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে রোড শো করবে সরকার