বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) একাডেমি অ্যাক্রিডিটেশন স্কিমের অধীনে আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধন পেলো জুরাইন ফুটবল একাডেমী ঢাকা।
ফিফা ও এএফসি কোচিং কনভেনশনের আওতায় একাডেমিটিকে ‘ওয়ান স্টার’ স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
স্বীকৃতির সার্টিফিকেট নম্বর বিএএন/০২৪৬/এএএস-২৬। সার্টিফিকেটে স্বাক্ষর করেছেন বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল, সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর এ কে এম সাইফুল বারী টিটু। ২০১১ সালে বিদেশে বসে জুরাইন ফুটবল একাডেমী প্রতিষ্ঠা করেন জুরাইনের কৃতি সন্তান ও সাবেক খেলোয়াড় হাফিজুর রহমান মিতু। দীর্ঘ ১৫ বছরের ধারাবাহিক পরিশ্রমের পর এই স্বীকৃতি এলো।
এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান মিতু বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে এটা আমার জীবনে অন্যতম একটি বড় পাওয়া। বিদেশে বসে ২০১১ সালে জুরাইন ফুটবল একাডেমী প্রতিষ্ঠা এবং তা পরিচালনা করে এমন সাফল্য সত্যি আনন্দের।’ এ সাফল্যের জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা জানান হারুন, মুরাদ, কালু, শাহআলম, মিজান, মনির, মিঠু, দিপন, আমীর, টিটু ও সোহাগ দেওয়ানদের প্রতি। স্পেশাল ধন্যবাদ জানান বাফুফের কোচ ওয়ালি মামুনকে, যার সহযোগিতা এ সাফল্য পেতে সহজ করে দিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ফুটবল কোচ মনিরের অক্লান্ত পরিশ্রমে আজ একাডেমী থেকে জাতীয় দলসহ ঢাকা লীগে একাধিক খেলোয়াড় অংশ নিচ্ছে। শাহআলম চেয়েছিলেন বলেই ফুটবল একাডেমী নতুন রূপে যাত্রা শুরু করেছিল এবং পাইওনিয়ার লীগে অংশ নিতে উৎসাহিত হয়েছিল।
এদিকে নিবন্ধন পাওয়ার আনন্দের মাঝেই উঠেছে নতুন দাবি। একাডেমীর পক্ষ থেকে ঢাকা-৪ আসনে খেলার জন্য একটি মাঠের দাবি জানানো হয়েছে। প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান মিতু বলেন, ‘আমার ছেলেরা প্রতিদিন জিজ্ঞেস করে — স্যার, আমরা খেলবো কোথায়? আমি তার কোনো জবাব দিতে পারি না। আমি কারো কাছে টাকা চাই না, ক্ষমতা চাই না। আমি শুধু ঢাকা-৪ আসনে আমার ছেলেদের জন্য একটা মাঠ চাই। একটা মাঠ পেলে আমি জুরাইন থেকে জাতীয় দলে খেলোয়াড় বানিয়ে দেখাবো, ইনশাআল্লাহ।’ তিনি আরও বলেন, ‘একটা মাঠ বাঁচাতে পারে শত শত ছেলেকে মাদক আর মোবাইল আসক্তি থেকে। একাডেমীর শুরু থেকে আজ পর্যন্ত যারা জড়িত ছিলেন বা এখনো আছেন, তাদের সবাইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে এ প্রাপ্তি সেলিব্রেট করার আহ্বান জানানো হয়েছে।



















