অশোক কুমার বর্মণঃ পণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো জোনের সুপারিনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার বদরুল আলম। মদ, নারী আর অর্থ, এই তিন নেশা যার নিত্যাসঙ্গী। এবার নিউজ প্রেজেন্টার মিমকে শয্যাসঙ্গী করে বিপাকে পড়েছেন।
সম্প্রতি রাজধানীর একটি আবাসিক হোটেলে যাত্রীযাপন শেষে তাদের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এ ছবি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা চলছে সর্বত্র। আগুন জ্বলছে বদরুলের পরিবারেও।
ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে বদরুলের চারিত্রিক অধ:পতনে তার স্ত্রী দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন মহলে অভিযোগ করে আসছেন। তার নৈতিক স্থ্খলনে তাদের দাম্পত্য জীবনে মোটেও সুখী নন স্ত্রী জেসমিন আক্তার। সম্প্রতি নিউজ প্রেজেন্টার মীম এর সঙ্গে বদরুলের অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ছবি ভাইরাল হওয়ায় মানষিকভাবে ভেঙ্গে পড়ছেন জেসমিন। চরম মানসিক চাপ, সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হওয়া এবং দাম্পত্য কলহের কারনে জেসমিন একপর্যারে বদরুলের সাথে বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেয়। তার এ সিদ্ধান্তের কথা বদরুলকে মৌখিকভাবে অবহিত করলে চতুর বদরুল নিজের নিজের অপকর্ম ঢাকতে এবং বাড়তি সুবিধা পাবার আশায় দ্রুততার সাথে স্ত্রী জেসমিনের আগেই তার নামে তালাকের নোটিশ পাঠায়। এতে জেসমিন কিছুটা অবাক হলেও যেহেতু তালাকের সিদ্ধান্ত সেই প্রথম নিয়েছিলো, তাই এ ব্যাপারে সে আর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
স্ত্রী জেসমিনকে ডিভোর্স দেওয়ার পর বারুলের বদ স্বভাব আরো অনিয়ন্ত্রিত হয়ে উঠে। শহরের নামী দামী আবাসিক হোটেলে নিত্য নতুন নারীদেহ ভোগ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে বদরুল। সেই সাথে চলে প্রতি রাতে নিয়মিত মদ্যপান। এই দ্বিবিধ নেশার টাকা যোগাড় করতে অফিসে ঠিকাদারদের উপর চড়াও হন বদরুল। টেন্ডার ও কমিশন বাণিজ্যের মধ্যিমে বিপুল অর্থ আয় করে তা বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে মদ আর নারীর পিছনে নিয়মিত ঢালছেন গণপূর্বের প্রভাবশালী এই প্রকৌশলী।
এদিকে বদরুলের কাছ থেকে সম্প্রতি তালাকের নোটিশপ্রাপ্ত হয়ে স্ত্রী, সবুজবাগ সরকারী কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জেসমিন আক্তার দুশ্চরিত্র বদরুলের সাথে বাধন ছিন্ন হওয়ায় বেশ ফুরফুরে মেজাজে রয়েছেন।
এদিকে নিউজ প্রেজেন্টার মীম নিয়মিত বদরুলের সাথে মিলিত হচ্ছেন বিভিন্ন হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টে। রাত কাটাচ্ছেন আনন্দের সাথে। তিনি আবার বদরুলের সাথে সংসার পাতার স্বপ্নে বিভোর। তাইতো রাত বিরাতে নিজের শরীর বিলিয়ে দিচ্ছেন বদরুলের বদ স্বভাব চরিতার্থ করতে।



















