নিজস্ব প্রতিবেদক: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বহিরাগত পরিবহন দালালের উপদ্রব এতটাই বেড়েছে যে বিমান থেকে নেমেই সাধারণ যাত্রীরা বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে। সরজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায় আশকোনা, হাজী ক্যামপ,উত্তরখান, দক্ষিণ খান বিভিন্ন এলাকার উশৃংখল পরিবহন দালালরা কোনরকম নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই নিরাপত্তা পাস ছাড়া টার্মিনাল ১ ও ২ কেনপি এলাকায় প্রবেশ করে যাত্রীদের লাগেজ ধরে টানাটানি সহ বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করছে।
নিরাপত্তা পাস ছাড়া বহিরাগত এসব পরিবহন দালালের গাড়িতে চড়ে অনেক যাত্রী আবার সর্ব শান্ত হচ্ছেন বা বিভিন্ন ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সম্মুখীন হচ্ছেন। এ যেন দেখার কেউ নেই। নির্বিকার আনসার সদস্য ও প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিগন। ৫০০/১০০০ অথবা সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে এদের এহেন কর্মকাণ্ড করতে দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দিন কিংবা রাত ২৪ ঘন্টা বহিরাগত পরিবহন দালালদের এই কর্মকান্ড দেখা যাচ্ছে। অভিযোগ করেও কোন লাভ হয় না, দেখছি বলেই পার করে দেন বলে জানিয়েছেন অনেক যাত্রীরা।
আবার অনেক আনসার সদস্যকে পার্কিং টিকিট কাউন্টারে টিকিট কাটার দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। বিমানবন্দরের মতো স্পর্শকাতর একটি জায়গায় এদের দায়িত্বে অবহেলার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। বিমান অবতরণের কিছুক্ষণ পরেই এইসব বহিরাগত দালালরা জড়ো হতে থাকে বিমানবন্দরের ভিতরে কেনপি এলাকায়। আনসার সদস্য ও প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ তখন নির্বিকার চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকেন। এরা এতটাই চতুর যে যখন যাত্রির চাপ বেশি থাকে, তখন এদের কাউকে দেখা যায় না।
যখন যাত্রী শূন্য হয়ে যায় তখন এরা বাঁশি বাজিয়ে লোক দেখানো নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করে দাঁড়িয়ে থাকে। মাননীয় বিমান মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক কঠোর নির্দেশনা থাকার পরেও এ ধরনের কর্মকাণ্ড চলমান থাকায় সাধারণ যাত্রীরা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। অচিরেই এই ধরনের বহিরাগত পরিবহন দালালদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন অধিকাংশ যাত্রীরা। কারণ দেশের প্রধান বিমান বন্দরের সঙ্গে দেশের সুনাম জড়িত।



















