Tuesday , 23 June 2026 |
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. চাকরির খবর
  7. জাতীয়
  8. জীবনযাপন
  9. তথ্য ও প্রযুক্তি
  10. দুর্ঘটনা
  11. ধর্ম
  12. বিনোদন
  13. রাজনীতি
  14. শিক্ষা ও ক্যাম্পাস
  15. সম্পাদকীয়

অন্ধকারে ফোন ব্যবহার করছেন? জেনে নিন ক্ষতিকারক দিক

প্রতিবেদক
admin
June 23, 2026 5:36 pm
Link Copied!

ঘুমানোর আগে বিছানায় শুয়ে ফোন স্ক্রল করা এখন অনেকের প্রতিদিনের অভ্যাস। কিন্তু চিকিৎসক ও চক্ষু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্পূর্ণ অন্ধকার ঘরে ফোনের উজ্জ্বল স্ক্রিন দীর্ঘ সময় দেখলে চোখের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্ধকার পরিবেশে মাত্র ১৫ মিনিট স্মার্টফোনের উজ্জ্বল আলোতে তাকিয়ে থাকলেও সাময়িক দৃষ্টিজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই অবস্থাকে বলা হয় ‘ট্রানজিয়েন্ট স্মার্টফোন ব্লাইন্ডনেস’ বা ক্ষণস্থায়ী স্মার্টফোন অন্ধত্ব। যদিও এটি সাধারণত স্থায়ী ক্ষতির কারণ হয় না, তবুও এটি অনেকের জন্য আতঙ্কের কারণ হতে পারে। কেন এমন হয়? ২০২৪ সালে হিমালয়ান জার্নাল অব অফথালমোলজি-তে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, সমস্যাটি মূলত তখনই তৈরি হয় যখন একটি চোখ আলোতে অভ্যস্ত থাকে আর অন্যটি অন্ধকারে। অনেকেই কাত হয়ে শুয়ে ফোন ব্যবহার করেন। এ সময় একটি চোখ বালিশ দিয়ে আংশিক ঢাকা পড়ে যায়, আর অন্য চোখ ফোনের স্ক্রিনের দিকে থাকে। ফলে স্ক্রিনের দিকে থাকা চোখটি উজ্জ্বল আলোর সঙ্গে মানিয়ে নেয়, কিন্তু ঢাকা চোখটি অন্ধকারের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়। পরে ফোন সরিয়ে ফেললে দুই চোখের প্রতিক্রিয়ায় পার্থক্য তৈরি হয়। এর ফলে একটি চোখে কয়েক মিনিটের জন্য ঝাপসা দেখা বা সাময়িকভাবে কম দেখতে পাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। যারা এই সমস্যায় পড়েন, তারা হঠাৎ অনুভব করতে পারেন যে একটি চোখ দিয়ে ঠিকমতো দেখা যাচ্ছে না। তবে চিকিৎসকদের মতে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে দৃষ্টিশক্তি আবার স্বাভাবিক হয়ে যায়। এখন পর্যন্ত এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে এই অবস্থা দীর্ঘমেয়াদে চোখের স্থায়ী ক্ষতি করে। চোখের ওপর বাড়তি চাপ চক্ষু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্পূর্ণ অন্ধকারে উজ্জ্বল স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখে অতিরিক্ত চাপ পড়ে। এতে চোখ শুষ্ক, ক্লান্ত বা জ্বালাপোড়া অনুভব হতে পারে। আরেকটি বিষয় হলো, ফোন ব্যবহার করার সময় মানুষ সাধারণত কম পলক ফেলে। এতে চোখের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে যায় এবং অস্বস্তি আরও বাড়তে পারে। নীল আলো ও ঘুমের সমস্যা স্মার্টফোনের স্ক্রিন থেকে নির্গত নীল আলো ঘুমের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। রাতে দীর্ঘ সময় এই আলোর সংস্পর্শে থাকলে শরীরে মেলাটোনিন হরমোনের উৎপাদন কমে যায়। এই হরমোন ঘুমের অনুভূতি তৈরি করতে সাহায্য করে। ফলে রাতে সহজে ঘুম না আসা, বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়া কিংবা গভীর ঘুমে সমস্যা হওয়ার মতো বিষয় দেখা দিতে পারে। কীভাবে ঝুঁকি কমাবেন? *সম্পূর্ণ অন্ধকারে ফোন ব্যবহার না করা। *ঘরে হালকা আলো জ্বালিয়ে স্ক্রিন দেখা। *রাতে স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা কমিয়ে রাখা। *ঘুমানোর অন্তত কিছু সময় আগে ফোন দূরে রাখা। *দীর্ঘ সময় স্ক্রিন দেখলে মাঝে মাঝে চোখকে বিশ্রাম দেওয়া। স্মার্টফোন এখন দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে সচেতনভাবে ব্যবহার করলে চোখের স্বাস্থ্য ও ভালো ঘুম-দুটিই সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত

সন্ধ্যার মধ্যে ১২ জেলায় ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা

আইডব্লিউজি গ্লোবাল সামিটে সারওয়াত সিরাজ

নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে ভিসিলেন্স টিম ও সার্বিক তত্ত্বাবধান টিম গঠন করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।

ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম কক্সবাজার ট্রেন চলাচল বন্ধ, পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী

সুর নরম করে ইতিবাচক বার্তায় ন্যাটো সম্মেলন শেষ করলেন ট্রাম্প

কার্বন ক্রেডিট বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাস, ছিনতাই ঠেকাতে রাজধানীতে আরও ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা বসছে

টেকসই কালচারাল ট্যুরিজম বিকাশে শ্রীমঙ্গলে তিন দিনব্যাপী ‘হারমোনি ফেস্টিভ্যাল’ এর উদ্বোধন করলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী

মাদারীপুরে ‘হাতুড়ি বাহিনীর’ প্রধান গ্রেপ্তার

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের আঘাত: নিহত ১৪০০ ছাড়াল, নিখোঁজ ৫১ হাজারের বেশি