হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর যেখানে প্রতিদিন শত শত যাত্রী এবং তার স্বজনদের পদচারণায় মুখরিত থাকে সমগ্র এলাকা। দূর দূরান্ত থেকে কেউবা আসছে তার আত্মীয়-স্বজনকে বিদায় দিতে আবার কেউবা আসছে আত্মীয়-স্বজন বা প্রিয়জনকে রিসিভ করতে। আপনি যদি এই বিমানবন্দরের বহির্গমন ড্রাইভ ওয়েতে উঠলেই দেখা যাবে দুইটি ব্র্যান্ডিংয়ের সপ মোল্লা এন্টারপ্রাইজ নামে। যেখানে দেখা যাবে অত্যন্ত নিম্নমানের জুস বা কোমল পানীয় চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। একই সাথে বিভিন্ন দ্রব্য সামগ্রী কার্টুনসহ যাত্রী চলাচলের রাস্তায় রেখে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়েছে। এটি হর হামেশাই করা হচ্ছে। এটা নিয়ে যাত্রীদের সাথে প্রায়শই তর্ক-বিতর্ক ঝগড়া চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, মোল্লা এন্টারপ্রাইজের মালিক জনাব মোঃ সিদ্দিকুর রহমান। যিনি আবার সিভিল এভিয়েশনের সদস্য পরিকল্পনা জনাব মেহেবুব খানের মামাশ্বশুর। মূলত জনাব মেহবুব খান আত্মীয়তার সুবাদে তার মামাশ্বশুরকে এটি নতুন বরাদ্দ দিয়েছেন। দৃষ্টিনন্দন বিমানবন্দরে ড্রাইভ ওয়েব মত জায়গায় এই ধরনের দুইটি দৃষ্টিকটু ব্র্যান্ডিং সপ দেওয়াটা কতটুকু যুক্তিযুক্ত, সেই বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। দেশের প্রধান বিমানবন্দরে ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে এই ধরনের কর্মকাণ্ড যারা করে এদেরকে জরুরিভাবে জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে। যদিও সদস্য পরিকল্পনার বিরুদ্ধে অভিযোগ এই নতুন নয়। আগুন কেলেঙ্কারি, বরাদ্দ কেলেঙ্কারি, নারি কেলেঙ্কারি, আর্থিক কেলেঙ্কারি সহ এরকম বহু অভিযোগ তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে এসেছে। বর্তমান সময়ে তিনি সিভিল এভিয়েশন এর কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ঠিকাদার / ব্যবসায়িক মহলে সর্বাধিক আলোচিত ব্যক্তি।বর্তমানে তিনি প্রমোদ ভ্রমণে অস্ট্রেলিয়া রয়েছেন বলে জানা গেছে।



















