পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১০৩ জনে। একই সময়ে নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ১০৪ জন। সব মিলিয়ে হাম ও এর উপসর্গে প্রাণ হারিয়েছেন ১ হাজার ২০৭ জন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। বুলেটিন অনুযায়ী, বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ৯৯৫ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। একই সময়ে ৩৬ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। উপসর্গ পাওয়া ও নিশ্চিত আক্রান্ত মিলিয়ে নতুন রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩১ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া দুজনই ঢাকা বিভাগে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে নিশ্চিত হামে এ সময়ে কারও মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি। চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৪৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এরপর সিলেটে ১৯৪ জন, চট্টগ্রামে ১০২, রাজশাহীতে ৯৩, ময়মনসিংহে ৮৫, বরিশালে ৬৫, খুলনায় ৫১ এবং রংপুর বিভাগে ১৭ জন মারা গেছেন। অন্যদিকে, নিশ্চিত হামে এ পর্যন্ত ১০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ও নিশ্চিত হামে মৃত্যুর হিসাব একত্রে ধরলে মোট প্রাণহানি দাঁড়ায় ১ হাজার ২০৭ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিন অনুসারে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৯৩ হাজার ৬০৮ জন। তাঁদের মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯২৭ জন। এ সময়ে সারা দেশে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে মোট ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৬০ জনের শরীরে। তাঁদের মধ্যে ২৩ হাজার ২৪৮ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। হাসপাতালে আসা সব রোগী এবং হাসপাতালের বাইরে থাকা সব সন্দেহভাজন রোগীর হাম পরীক্ষা করা হয় না। ফলে প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা নির্ধারণ করা কঠিন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে মূলত হাসপাতালে আসা ও ভর্তি হওয়া রোগীদের তথ্য নথিভুক্ত করা হয়।



















