Wednesday , 1 July 2026 |
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. চাকরির খবর
  7. জাতীয়
  8. জীবনযাপন
  9. তথ্য ও প্রযুক্তি
  10. দুর্ঘটনা
  11. ধর্ম
  12. বিনোদন
  13. রাজনীতি
  14. শিক্ষা ও ক্যাম্পাস
  15. সম্পাদকীয়

চিকিৎসার শেষ আশ্রয় যেন ভোগান্তির প্রতীক না হয়

প্রতিবেদক
admin
July 1, 2026 4:50 pm
Link Copied!

রকারি হাসপাতাল, বিশেষ করে দেশের সর্ববৃহৎ চিকিৎসাকেন্দ্র ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সাধারণ মানুষের শেষ ভরসাস্থল। সীমিত সামর্থ্যরে অসংখ্য মানুষ উন্নত চিকিৎসার আশায় এখানে ছুটে আসেন। কিন্তু সেই আশ্রয়স্থলই যদি অতিরিক্ত রোগীর চাপ, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, জনবল ও যন্ত্রপাতির সংকটে ন্যূনতম চিকিৎসাসেবাও নিশ্চিত করতে না পারে, তবে তা শুধু একটি হাসপাতালের সমস্যা নয়; এটি জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার গভীর সংকটের প্রতিফলন। দৈনিক প্রকাশিত খবরাখবর থেকে জানা গেছে, ২ হাজার ৬০০ শয্যার বিপরীতে প্রতিদিন পাঁচ থেকে সাত হাজার রোগী ভর্তি থাকছেন। ফলে অনেককে মেঝে, করিডোর, সিঁড়ি এমনকি শৌচাগারের পাশেও চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। শিশু ওয়ার্ডে শয্যার তুলনায় কয়েকগুণ বেশি রোগী ভর্তি থাকায় সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে। একই সঙ্গে নোংরা পরিবেশ, অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা রোগীদের জন্য নতুন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। অন্যদিকে, বহির্বিভাগে দীর্ঘ অপেক্ষা, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার যন্ত্র অচল থাকা, অস্ত্রোপচারের দীর্ঘ সিরিয়াল এবং দালালচক্রের সক্রিয়তা জনদুর্ভোগকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। বিশেষ করে একটি এমআরআই যন্ত্র দীর্ঘদিন অচল থাকায় রোগীদের চিকিৎসা বিলম্বিত হচ্ছে এবং অনেকেই বাধ্য হয়ে ব্যয়বহুল বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দ্বারস্থ হচ্ছেন। দরিদ্র মানুষের জন্য এটি এক ধরনের দ্বিমুখী সংকট-একদিকে অর্থনৈতিক অক্ষমতা, অন্যদিকে সরকারি ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা। তবে সমস্যার জন্য শুধু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দায়ী করলেই বাস্তবতার পূর্ণ চিত্র উঠে আসে না। কর্তৃপক্ষও জনবল, চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্ট, শয্যা ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির ঘাটতির কথা বলছে। অর্থাৎ সমস্যাটি দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, অপর্যাপ্ত বিনিয়োগ এবং স্বাস্থ্যসেবার চাহিদা ও সক্ষমতার মধ্যে ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের ফল। একটি আধুনিক রাষ্ট্রে চিকিৎসাসেবা নাগরিকের মৌলিক অধিকার। তাই রাজধানীকেন্দ্রিক চিকিৎসার চাপ কমাতে জেলা ও বিভাগীয় হাসপাতালগুলোতে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণ, দ্রুত নষ্ট যন্ত্রপাতি সচল করা, প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দালালচক্র নির্মূলে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। পাশাপাশি হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল শুধু একটি চিকিৎসাকেন্দ্র নয়; এটি দেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি। এখানকার সংকটের কার্যকর সমাধান মানে কেবল একটি হাসপাতালের উন্নয়ন নয়, বরং স্বাস্থ্যসেবার প্রতি মানুষের আস্থা পুনর্গঠন। সেই লক্ষ্যেই এখন প্রয়োজন সমন্বিত পরিকল্পনা, পর্যাপ্ত বিনিয়োগ এবং জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থাপনা।

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত

স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা: ২ দিনের রিমান্ডে অভিনেতা জাহের আলভী

পায়রাসহ চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল

বিচারাধীন অবস্থায় আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকবে: তথ্য উপদেষ্টা

ওয়ার্ড পর্যায়ে নাগরিক সেবা জোরদারের নির্দেশনা রাসিক প্রশাসকের

অপরাধের গ্রাফ বিগত যেকোন সময়ের চেয়ে নিম্নমুখী; – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রেলে যাত্রীদের চাহিদা পূরণে লোকোমোটিভ ও কোচের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে: রেল প্রতিমন্ত্রী

দু’বার পিছিয়ে নিউজিল্যান্ডের সাথে ড্র করল ইরান

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপি’র ২ হাৃজার ১৬৭টি মামলা

কাল পবিত্র আশুরা, রাজধানীতে বের হবে ৬৩ তাজিয়া মিছিল

সাবেক আইজিপি বেনজীর দুবাইয়ে গ্রেপ্তার: দুর্নীতি মামলায় ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিস জারি করা হয়েছিল।