Sunday , 8 November 2026 |
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. চাকরির খবর
  7. জাতীয়
  8. জীবনযাপন
  9. তথ্য ও প্রযুক্তি
  10. দুর্ঘটনা
  11. ধর্ম
  12. বিনোদন
  13. রাজনীতি
  14. শিক্ষা ও ক্যাম্পাস
  15. সম্পাদকীয়

আজারবাইজানের সঙ্গে টানাপোড়েন নিরসনে বাকু সফরে যাচ্ছেন এরদোগান

প্রতিবেদক
admin
November 8, 2026 11:11 am
Link Copied!

দুই ঘনিষ্ঠ আঞ্চলিক মিত্র তুরস্ক ও আজারবাইজানের মধ্যে সাম্প্রতিক প্রকাশ্য কূটনৈতিক টানাপোড়েন কমানোর লক্ষ্যে রোববার বাকু সফরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। আজারবাইজানের বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি দুই দেশের সম্পর্কের সাম্প্রতিক দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করবেন তিনি। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। গত সেপ্টেম্বর মাসে আজারবাইজান স্কুলের পোশাকবিধিতে পরিবর্তন আনার পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। নতুন বিধিতে ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে বিবেচিত পোশাকের অতিরিক্ত উপকরণ নিষিদ্ধ করা হয়। এর ফলে শ্রেণিকক্ষে মুসলিম নারীদের হিজাব পরার ওপর কার্যত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। অন্যদিকে, তুরস্কের এরদোগান সরকার দেশটিতে হিজাব পরার ওপর আগে থেকে থাকা বিভিন্ন বিধিনিষেধ তুলে দিয়েছে। আজারবাইজানের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দেশটির অভ্যন্তরে বিক্ষোভ হয়। পাশাপাশি এর সমালোচনা করে এরদোগানের ইসলামপন্থী রাজনৈতিক আদর্শ থেকে গড়ে ওঠা ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (একেপি)। দলটির নেতাদের মধ্যে প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা ওকতায় সারালও ছিলেন। তিনি আজারবাইজানকে ওই বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। তবে আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভের ক্ষমতাসীন দল ইয়েনি আজারবাইজান এসব মন্তব্যকে দেশটির ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ’ বলে নিন্দা জানায়। এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আজারবাইজান সরকারের সমালোচনা করে পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে দেশটি তুরস্কের ৩১ জন নাগরিককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে। তাদের মধ্যে তুরস্কের বিরোধী দলের এক সংসদ সদস্য এবং কয়েকজন রাজনৈতিক দলের নেতাও রয়েছেন। পরবর্তী সময়ে এরদোগান তার উপদেষ্টা সারালকে পদ থেকে সরিয়ে দেন। তবে এর পরও গত ৩০ অক্টোবর আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত তুর্কি নেতাদের সম্মেলনে যোগ দেননি আলিয়েভ। এরদোয়ানের ব্যক্তিগত আমন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও তিনি সম্মেলনে অনুপস্থিত থাকেন। তার পরিবর্তে আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেইহুন বায়রামভ সম্মেলনে যোগ দেন। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এরদোগান বলেন, ‘বিশেষ কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি না হলে ৮ নভেম্বর আজারবাইজান সফরের পরিকল্পনা রয়েছে আমার।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সফর দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করবে। এ লক্ষ্যে তিনি ইতোমধ্যে আলিয়েভের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও গোয়েন্দাপ্রধানকে বাকুতে পাঠিয়েছেন। এরদোগান বলেন, ‘তুরস্ক ও আজারবাইজানের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের পথে কোনো বাধাই টিকে থাকতে পারে না।’ গভীরতর মতপার্থক্য বিশ্লেষকদের মতে, হিজাব ইস্যুর বাইরেও দুই দেশের মধ্যে আরও গভীর কিছু মতপার্থক্য রয়েছে। বিশেষ করে আজারবাইজানের স্বাধীন কূটনৈতিক অবস্থান এবং ইসরাইলের সঙ্গে দেশটির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এই বিরোধের অন্যতম কারণ। বাকুভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান অ্যাটলাস রিসার্চ সেন্টারের প্রধান এলখান শাহিনোগলু এএফপিকে বলেন, ‘আজারবাইজান ও তুরস্কের মধ্যে উত্তেজনার মূল কারণ হলো, বাকু এই জোটে নিজেকে ছোট ভাই হিসেবে দেখতে চায় না। বরং দুই দেশের মধ্যে সমমর্যাদার অংশীদারত্বের ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়।’ ওয়াশিংটনভিত্তিক মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষক গনুল তোল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘হিজাব নিয়ে বিরোধ আসলে আরও গভীর মতপার্থক্যেরই বহিঃপ্রকাশ।’ তিনি বলেন, আজারবাইজানের সার্বভৌমত্ব, বাকুর ওপর আঙ্কারার প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা, ইসরাইলকে ঘিরে দুই দেশের ভিন্ন অবস্থান এবং আর্মেনিয়ার সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগসহ বিভিন্ন বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইসরাইলের সঙ্গে আজারবাইজানের শক্তিশালী সামরিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। ২০২০ সালে বিচ্ছিন্নতাবাদী কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে আর্মেনিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে আজারবাইজানকে অস্ত্র সরবরাহ করেছিল ইসরাইল। এতে তুরস্ক অসন্তুষ্ট হয়েছে। বিশেষ করে গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর ইসরাইলের প্রতি এরদোগান সরকারের অবস্থান ক্রমেই কঠোর হয়েছে। এরদোগান ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগও তুলেছেন। অন্যদিকে, আর্মেনিয়ার সঙ্গেও সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে তুরস্ক। আজারবাইজানের প্রতি সংহতি জানিয়ে ১৯৯০-এর দশকে আর্মেনিয়ার সঙ্গে নিজেদের সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছিল আঙ্কারা। বর্তমানে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার অগ্রগতির সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়টি যুক্ত করেছে তুরস্ক। ৮ নভেম্বর আজারবাইজানের বিজয় দিবস। ২০২০ সালে আর্মেনিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে কারাবাখ অঞ্চলের শুশা শহর দখলের স্মরণে দিনটি পালন করে দেশটি। ওই বিজয়ে তুরস্কের সমর্থন ও সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। তুর্কি ভাষাভাষী এই দুই মিত্র দেশ তাদের সম্পর্ককে ‘এক জাতি, দুই রাষ্ট্র’ হিসেবে বর্ণনা করে। সাম্প্রতিক মতপার্থক্য সত্ত্বেও সামরিক ও জ্বালানি খাতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার কারণে দুই দেশের সম্পর্ক এখনো দৃঢ় রয়েছে। পশ্চিমা দেশগুলোর বাজারে আজারবাইজানের তেল ও গ্যাস রপ্তানির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট রুট হিসেবে কাজ করছে তুরস্ক। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত দেশ আজারবাইজানের অধিকাংশ নাগরিক শিয়া মুসলিম। তবে কয়েক দশকের সোভিয়েত শাসনের প্রভাবে দেশটি মুসলিম বিশ্বের অন্যতম ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠেছে।

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত

পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা ও যুবকদের দক্ষ করতে ডব্লিউএফপি-এর সহযোগিতা চাইলেন পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি

আবু সাঈদ হত্যা কান্ড:

দাম্মাম-রিয়াদগামী ফ্লাইট নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

মা হারালেন নায়িকা পপি

সেপ্টেম্বরেও অপরিবর্তিত জ্বালানি তেলের দাম

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপি’র ২ হাৃজার ১৬৭টি মামলা

সিলেটের নতুন ডিসি রেজা হাসান

বিয়ে করেছেন মৌসুমী হামিদ, বরসহ প্রকাশ্যে বেবিবাম্প নিয়ে হাজির

গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা ও জনগণের অধিকার নিশ্চিতে কাজ করেছে বিএনপি : ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থিতায় শিক্ষাগত যোগ্যতা বাধ্যতামূলক নয়: মীর শাহে আলম