নিজস্ব প্রতিবেদক।
সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অফ বাংলাদেশ বা বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। বিগত দুই বছর যাবত এই সিভিল এভিয়েশনের সদস্য পরিকল্পনার দায়িত্বে রয়েছেন জনাব আবু সাঈদ মেহেবুব খান,একের পর এক গুরুতর অভিযোগ তার বিরুদ্ধে কিন্তু তারপরেও তিনি স্বপদে বহাল। বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজে এ যাবৎ কালের সবচেয়ে ভয়াবহ যে অগ্নিকাণ্ড হয়েছে, এবং তদন্ত কমিটির রিপোর্টে তার দায়িত্ব এবং অবহেলা এ বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে তাকে অপসারণের বিষয়ে সুপারিশ করা হয়েছে অথচ তিনি সপদে বহাল। এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে রিপোর্ট হয়েছে। কিন্তু তার কিছু হয়নি। অতি সম্প্রতি তিনি দুইটি ব্র্যান্ডিংয়ের দোকান তার মামা শশুরকে নতুন বরাদ্দ দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ভাগ্যবানের নাম মোঃ সিদ্দিকুর রহমান। আর কোম্পানির নাম মোল্লা এন্টারপ্রাইজ।এবং আরো অনেক আত্মীয়-স্বজনের বরাদ্দ প্রক্রিয়াধীন। এর আগেও সরকারকে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব বঞ্চিত করার কারণে সমগ্র বাংলাদেশের বিমানবন্দরের ব্যবসায়ীদের সাথে তার একটি দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। পরবর্তীতে যেটা উপদেষ্টা মহোদয় পর্যন্ত গড়ায়। উনার ভাবখানা এমন যে সিভিল এভিয়েশনটা ওনার পারিবারিক প্রতিষ্ঠান। বিমানবন্দর পরিচালনার ক্ষেত্রে আইকাও এর সুনির্দিষ্ট কিছু নীতিমালা রয়েছে। কিন্তু তিনি এগুলা থোড়াই কেয়ার করেন না।বিশৃঙ্খলা জনিত পরিবেশ সৃষ্টি করেই যেন উনার তৃপ্তি আসে। বিমানবন্দর যে একটি দেশের প্রতিচ্ছবি এটা উনি বোধহয় ভুলেই গেছেন। উনি সকাল হলে অফিসে এসে, চলে যায় চেয়ারম্যান মহোদয়ের রুমে,ফেরেন সন্ধ্যার পরে। নিজের দপ্তরের কাজকর্ম ফেলে উনি প্রতিদিনই এমন কাজ করে থাকেন। উদ্দেশ্য একটাই তেল মেরে নিজের চেয়ারটা ঠিক রাখা। উনার এসব কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান মহোদয় কে জিজ্ঞাসা করলে উনি ব্যবস্থা নিবেন বলে জানিয়েছেন। ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সিভিল এভিয়েশনের প্রতিটি কর্মচারীর মুখেই এখন একটাই কথা এই ” লোকটা” কবে এখান থেকে বদলি হবে। কারণ এর আমলেই চার / পাঁচবার বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আবার সমগ্র বিমানবন্দরের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড গুলো তিনি হ য ব র ল বানিয়ে রেখে দিয়েছেন আবার নবায়ন কার্যক্রম বন্ধ রেখে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হতে বঞ্চিত করছে সিভিল এভিয়েশনকে আবার এ কারণে এয়ারপোর্টে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। এ যেন দেখার কেউ নেই। এমন কেন করছেন জিজ্ঞাসা করলে কখনো বলেন মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশ আবার কখনো বলেন চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশ। দায়িত্ব পালনে সবদিক থেকেই ব্যর্থতার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। কিছুদিন আগে জামায়াতের সাতক্ষীরা অঞ্চলের এমপি অল্প বয়সী এক নারী সহ একটি বাসায় জনতার হাতে ধরা খায়। জনাব মেহেবুব খান ওই সাতক্ষীরা অঞ্চলেরই বাসিন্দা। সেই প্রসঙ্গে পরবর্তী পর্বে জানাব। তবে উনার দ্বারা অন্তত সিভিল এভিয়েশনের কোন উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে সিভিল এভিয়েশনের সঙ্গে জড়িত সবাই এক বাক্যে মতামত দিয়েছেন । উনি শুধু নিজেরটাই বোঝেন।আর্থিক লেনদেনের কাজগুলা সাধারণত বিদেশে বসেই করে থাকেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। সিভিল এভিয়েশন সহ সমগ্র বাংলাদেশের বিমানবন্দরের উন্নয়ন প্রত্যাশী এবং বহির্বিশ্বের সকল বাংলাদেশী মানুষের একটাই প্রত্যাশা জনাব মেহেবুব খান কে বদলি করে দেশকে যারা ভালোবাসে এবং বাংলাদেশের বিমানবন্দরের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে এমনই একজন দেশপ্রেমিক লোককে ওই চেয়ারে বসানোর দাবি জানিয়েছেন “কারণ সবার আগে বাংলাদেশ”।



















